রবিবার, ২১ জানুয়ারি ২০১৮

Beta Version

কারদাভির মৃত্যুদণ্ড চূড়ান্ত করতে মুফতির মতামত চেয়েছে আদালত

POYGAM.COM
জানুয়ারি ৭, ২০১৮
news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক::কায়রো: মিশরের একটি সামরিক আদালত বিশ্ববিখ্যাত ইসলামিক স্কলার আল্লামা ইউসুফ আল কারদাভিসহ ৮ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর মৃত্যুদণ্ড চূড়ান্ত করতে মিশরের প্রদান মুফতির মতামত চেয়েছে।

তাদেরকে ২০১৫ সালে কায়রোয় একজন সিনিয়র পুলিশ অফিসারকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। কায়রোর মাতারিয়া পুলিশ স্টেশনের প্রধান ওয়েল তাহাউনকে ২০১৫ সালে প্রতিবাদকারীরা পিটিয়ে হত্যা করে।

দেশের সর্বোচ্চ পরিষদের প্রধান হিসেবে প্রধান মুফতির নিকট মৃত্যুদণ্ড চূড়ান্ত করার পূর্বে মতামত নেয়ার প্রথা রয়েছে মিশরে। তবে তা বাধ্যতামূলক নয়।

এ মামলার ৫২ জন আসামীর মধ্যে ৮জনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন, ইন্টান্যাশনাল ইউনিয়ন ফর মুসলিম স্কলারস ও মুসলিম ব্রাদারহুডের সিনিয়র সদস্য আল্লামা ইউসুফ আল কারদাভিও রয়েছেন।

আগামী ১৭ জানুয়ারি সামরিক আদালত চূড়ান্ত রায় প্রদানের তারিখ ঘোষণা করেছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

মিশরে বেড়ে গেছে মৃত্যুদণ্ড

এদিকে এক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মুরসিকে ক্ষমতাচ্যূত করার পর থেকে দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার বেড়ে গেছে। বিশেষ করে ব্রাদারহুড সমর্থকদের গণহারে ফাঁসি কার্যকর করছে প্রেসিডেন্ট সিসির সরকার।

ওই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১১ সালে স্বৈরশাসক হোসনি মোবারকের পতনের পর ওই বছর একজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল।

এর পরের বছর একজনেরও মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়নি। তবে ২০১৩ সালের পর থেকে দৃশ্যপট পাল্টাতে থাকে। ২০১৪ সালে ১৪ জনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করে দেশটির সরকার। এরপরের বছর ২২ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ২০১৬ কমপক্ষে ৪৪ জন নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে সিসির নেতৃত্বাধীন সরকার।

জানা যায়, মৃত্যুদন্ডের বেশিরভাগ রায়ই এসেছে সিসির নেতৃত্বাধীন সামরিক আদালত থেকে।