রবিবার, ২১ জানুয়ারি ২০১৮

Beta Version

এলিয়েন ধরতে গুপ্ত প্রকল্প

POYGAM.COM
ডিসেম্বর ১৮, ২০১৭
news-image

আকাশে অপরিচিত উড়ন্ত কোনো বস্তু বা ইউএফও নিয়ে গোপন তদন্ত প্রকল্প পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর

প্রযুক্তি ডেস্ক: এলিয়েন বা ভিনগ্রহবাসী নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। কেবল সাধারণ মানুষের মধ্যেই নয়, বিজ্ঞানী মহলেও এ নিয়ে আগ্রহ ব্যাপক। এ কারণেই আকাশে অপরিচিত উড়ন্ত কোনো বস্তু বা ইউএফও (আনআইডেন্টিফায়েড ফ্লাইং অবজেক্ট) দেখলে মানুষ প্রথমেই ভেবে বসে, নিশ্চয়ই ভিনগ্রহবাসীর আগমন ঘটেছে। কম যায়নি যুক্তরাষ্ট্রের সরকারও। ইউএফও নিয়ে গোপন তদন্ত প্রকল্প পরিচালনা করেছে দেশটি।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইউএফও নিয়ে গোপন ওই তদন্ত প্রকল্পে দেশটির সরকার কোটি কোটি ডলার ব্যয় করেছে। ২০০৭ সালে প্রকল্পটি শুরু করা হয়। এর নাম ছিল, অ্যাডভান্সড অ্যারোস্পেস থ্রেট আইডেন্টিফিকেশন প্রোগ্রাম। অর্থাৎ, আকাশে অত্যাধুনিক হুমকি চিহ্নিতকরণ প্রকল্প। মার্কিন সিনেটে তৎকালীন সংখ্যাগরিষ্ঠ দল ডেমোক্রেটিক পার্টির সিনেটর হ্যারি রেইডের মাথা থেকে এই প্রকল্পের ধারণা এসেছিল। ২০১২ সালে প্রকল্পটি বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে খবরে জানানো হয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে, ওই প্রকল্পের কিছু নথিপত্রে অদ্ভুত দ্রুতগতির উড়োযান এবং আকাশে ঝুলে থাকা বস্তুর বর্ণনা রয়েছে। তবে বিজ্ঞানীরা বিষয়টি নিয়ে সন্দিহান। তাঁদের মতে, ব্যাখ্যাতীত কোনো কিছু পেলেই তা দিয়ে ভিনগ্রহবাসীর অস্তিত্বের প্রমাণ হয়ে যায় না।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। ছবি: এএফপি

সাবেক সিনেটর হ্যারি রেইড নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, ‘এমন একটা কিছু পরিচালনার জন্য আমি বিব্রত বা লজ্জিত বা দুঃখিত নই। আমি এমন কিছু করেছি, যা এর আগে অন্য কেউই করেনি।’ পরে টুইটারে তিনি লিখেছেন, প্রকল্পটি ছিল সত্য উদ্‌ঘাটনের একটি গুরুত্বপূর্ণ চেষ্টা।

গোপন ওই প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর দুই কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি অর্থ ব্যয় করেছে। পরে ব্যয় কমানোর অংশ হিসেবে এতে অর্থায়ন বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে প্রকল্পের কর্মকর্তারা এরপরও তাঁদের তদন্ত চালিয়ে গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। নিয়মিত দায়িত্বের পাশাপাশি তাঁরা আকাশে অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা ও সন্দেহজনক বস্তুর অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছিলেন।

সূত্র: বিবিসি