সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭

Beta Version

কাজী নজরুল ইসলামের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী

POYGAM.COM
আগস্ট ২৭, ২০১৭
news-image

পয়গাম ডেস্ক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহের ঝাণ্ডা ‍উড়িয়ে ধূমকেতুর মতো আবির্ভাব ঘটেছিল যে কবির তিনি ১৯৭৬ সালের এ দিনে পিজি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ বেতার, টেলিভিশন ও বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছে। জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। বাংলা একাডেমিও নানা কর্মসূচির মাধ্যমে কবির মৃত্যুবার্ষিকী পালন করবে।  এছাড়া নজরুল ইনস্টিটিউট ‘নজরুল পদক-২০১৬’ প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। খবর বাসস।

জাতীয় কবি নজরুল ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম ‘দুখু মিয়া’। পিতার নাম কাজী ফকির আহমেদ ও মাতা জাহেদা খাতুন।

স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে সপরিবারে নজরুলকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। ‘জাতীয় কবি’র মর্যাদা দিয়ে বাংলাদেশে তার বসবাসের ব্যবস্থা করেন। বঙ্গবন্ধু ধানমন্ডিতে কবির জন্য একটি বাড়ি বরাদ্দ করেন।

বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক ও অভিনেতা।

রাবীন্দ্রিক ভাবধারার সর্বপ্লাবী স্রোতের বিপরীতে বাংলা সাহিত্যে নজরুল এনেছিলেন নতুন কাব্যভাষা, নতুন স্রোতধারা। বাঙালি মুসলিমের তাহজীব-তামাদ্দুন নিঙরানো কাব্যভাষা নির্মাণের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে এনেছিলেন নতুন বিপ্লব। আর পরাধীনতার জিঞ্জির ভেঙ্গে জাতীয় স্বাধীনতার সূর্য ছিনিয়ে আনতে চালিয়েছেন তাঁর ক্ষুরধার লেখনি।

নিপীড়িত মানবতার জয়গান, প্রেম, দ্রোহ আর বিপ্লবের চেতনায় উচ্চকিত আমাদের জাতীয় কবির সাহিত্য সম্ভার।